• শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতার উপর পুলিশি নির্যাতন

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতার উপর পুলিশি নির্যাতন

  আন্দোলন প্রতিবেদন  

বৃহঃস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি’২৬-এ রাত ৮টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে রাস্তা পারাপারের সময়ে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও মিডিয়া ট্রায়ালের সম্মুখীন হন বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি ক. নাঈম উদ্দীন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক বিরোধী অভিযানের অযু্হাতে  ডিসি মাসুদের নেতৃত্বে এই জিজ্ঞাসাবাদ চলে। এর এক পর্যায়ে কোনো কারণ ছাড়াই তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। লাঠিচার্জে ক.নাঈম উদ্দীনের মাথায় ও পায়ে ক্ষত হয় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরকম আঘাত পাবার পর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যাবস্থা না করে উল্টো তাকে হাতকড়া পরিয়ে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ক. নাঈম তার অবস্থান সম্পর্কে বন্ধুদের জানানোর সুযোগ পান। পুলিশি নিপীড়নের এ ঘটনা সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। “নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান”-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীগণ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টায় ৩ দফা দাবিকে সামনে রেখে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। “নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান” এই ব্যানারে সকল ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে যুক্ত হবার আহবান জানান। পরবর্তীতে একটি প্রতিনিধি দল শাহবাগ থানা পুলিশকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন এবং বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেন। একইদিন “গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট”-এর উদ্যোগেও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ক.নাঈম উদ্দীনসহ দেশব্যাপী পুলিশি নিপীড়ন ও তথাকথিত মোরাল পুলিসিং-এর তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হয়। আন্দোলনের তোপের মুখে শাহবাগ থানার চারজন পুলিশ কনস্টেবলকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে মিডিয়ায় প্রচার করা হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে আসেন। এ ঘটনায় প্রমাণ হয় বিদ্যমান ব্যবস্থাধীনে পুলিশের পোশাক বদল হলেই চরিত্র বদলায় না।

বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের নেতার উপর পুলিশি নির্যাতন

 আন্দোলন প্রতিবেদন 
বৃহঃস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি’২৬-এ রাত ৮টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে রাস্তা পারাপারের সময়ে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও মিডিয়া ট্রায়ালের সম্মুখীন হন বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি ক. নাঈম উদ্দীন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক বিরোধী অভিযানের অযু্হাতে  ডিসি মাসুদের নেতৃত্বে এই জিজ্ঞাসাবাদ চলে। এর এক পর্যায়ে কোনো কারণ ছাড়াই তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। লাঠিচার্জে ক.নাঈম উদ্দীনের মাথায় ও পায়ে ক্ষত হয় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরকম আঘাত পাবার পর প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যাবস্থা না করে উল্টো তাকে হাতকড়া পরিয়ে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ক. নাঈম তার অবস্থান সম্পর্কে বন্ধুদের জানানোর সুযোগ পান। পুলিশি নিপীড়নের এ ঘটনা সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থী, প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়। “নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান”-এর উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীগণ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টায় ৩ দফা দাবিকে সামনে রেখে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। “নিপীড়নের বিরুদ্ধে নৃবিজ্ঞান” এই ব্যানারে সকল ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণকে যুক্ত হবার আহবান জানান। পরবর্তীতে একটি প্রতিনিধি দল শাহবাগ থানা পুলিশকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন এবং বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করেন। একইদিন “গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট”-এর উদ্যোগেও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে ক.নাঈম উদ্দীনসহ দেশব্যাপী পুলিশি নিপীড়ন ও তথাকথিত মোরাল পুলিসিং-এর তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ জানানো হয়। আন্দোলনের তোপের মুখে শাহবাগ থানার চারজন পুলিশ কনস্টেবলকে ক্লোজ করা হয়েছে বলে মিডিয়ায় প্রচার করা হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন থেকে সরে আসেন। এ ঘটনায় প্রমাণ হয় বিদ্যমান ব্যবস্থাধীনে পুলিশের পোশাক বদল হলেই চরিত্র বদলায় না।

আরও খবর
 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র